ফুলতলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারি অফিসে না এসেও বেতন নিচ্ছেন

খুলনার-ফুলতলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারি অফিসে না এসেও বেতন নিচ্ছেন এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয় সরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফুলতলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলি মোছাঃ নাসরীন আক্তার গত ৬ মাসের হাজিরা খাতায় মাত্র ১৫/২০ দিনের স্বাক্ষর রয়েছে। অনেক মাসেই হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতির কোন স্বাক্ষর দেখা যায়নি। শুধু নাসরিন আক্তার নয় অফিসের মেকানিক পদে কর্মরত দিলরুবা জামান চলতি মার্চ মাসে ৪ দিন অনুপস্থিত রয়েছে কোন ছুটি ছাড়াই। অন্য এক মেকানিক নয়ন কর্মকার ও অরুন নামে এক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তিনিও দিনের পর দিন অফিসের হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত রয়েছে। এ অফিসটির বেশির ভাগ কর্মকর্তা ও কর্মচারি নিয়মিত অফিসে আসেন না। স্বয়ং অফিস প্রধান নাসরীন আক্তার বাসায় বসে অফিস করার প্রথা চালু করেছেন। ফোন করলেই তিনি বলেন, কাজের সাইডে রয়েছে । অথচ ওই সময় তিনি তার বাসায় অবস্থান করছেন বলে তথ্য উঠে আসে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন কাজের শুভংকরের ফাঁকির কারসাজিতে এ অফিসের অনেকই জড়িত রয়েছে। অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রমাণ ঢাকা রিপোর্টের কাছে এসেছে। এ বিষয় নিয়ে ফুলতলার সহকারী প্রকৌশলী নাসরিন আক্তারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অফিস প্রধান হিসেবে হাজিরা খাতায় আমার স্বাক্ষর থাকাটা জরুরী নয়, আমি নিয়মিত অফিস করি।
এ দিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মঈনুল হাসান বলেন, অফিসের হাজিরা খাতায় তাদের স্বাক্ষর থাকাটি দরকার।
আগামী প্রতিবেদনে বিস্তারিত আসছে ....... ।