দেশের সংস্কারের দরকার আছে: নুসরাত

স্টাফ রিপোর্টার : | প্রকাশিত: ১৮ ঘণ্টা আগে |   
নুসরাত তাবাসসুম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম বলেছেন, প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বহির্বিশ্ব থেকে বাংলাদেশের জন্য সম্মান এনে দিচ্ছেন। দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ করে যাচ্ছেন। একটি রাজনৈতিক দলের অতিসাধারণ একটি অংশ হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, এসব সংস্কারের দরকার আছে বাংলাদেশের। গত শুক্রবার বিকালে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলায় মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলার জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নুসরাত তাবাসসুম বলেন, যারা রক্ত দিয়ে, শরীরের ব্যথা দিয়ে, আমাদের যে স্বাধীনতার সুখ এনে দিয়েছে– তার কাছে এই সামান্য সম্মাননা কোনও মূল্যই রাখতে পারে না। আমরা তাদের এমন একটি বাংলাদেশ উপহার দেবো, যে বাংলাদেশে তারা অনেক ভালোবাসা পাবে, দোয়া পাবে। তবেই তাদের প্রতিদান দেওয়া সম্ভব হবে। গত শুক্রবার এ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক কমিটি মিরপুর উপজেলা শাখা এবং স্থানীয় পাঠাগার ‘পাঠক সমাদর’। এ সময় উপস্থিত ছিলেন– জাতীয় নাগরিক কমিটির কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি কমিটির সদস্য রায়ান হাসান, মিরপুর উপজেলা কমিটির প্রতিনিধি সদস্য শাহীন পারভেজ, পাঠক সমাদরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মনিরুল ইসলাম ও নাজমুল খান জনি এবং এসএম আকাশসহ শতাধিক লোকজন। উপস্থিত জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনারা কি শুধু এজন্য রাজপথে নেমেছিলেন যে, চাঁদাবাজির মানুষগুলো পরিবর্তন হয়ে যাবে, একটা যেনতেন নির্বাচনের মাধ্যমে “এ”র জায়গায় “বি” ক্ষমতায় বসবে। একজন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হয়ে প্রধানমন্ত্রী ছিল, আরেকজন একইরকম ক্ষমতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে যা খুশি করবে? উত্তরে উপস্থিত সবাই ‘না’ বলে সমস্বরে জবাব দেন। অনুষ্ঠানে শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, জুলাই-আগস্টে আন্দোলন হয়েছিল যাতে বৈষম্য না থাকে। প্রায় দুই হাজার ছেলেমেয়ের জীবনের বিনিময়ে হাজার হাজার আহতের রক্তের বিনিময়ে এ আন্দোলন সফল হয়েছে। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এটি যেন নস্যাৎ না হয়ে যায়। এ সময় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় নাগরিক কমিটির মিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি কমিটির সদস্য শামসুল আরেফিন স্ট্যালিন ও পাঠক সমাদরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসির আরাফাত। জুলাই যোদ্ধা আবু সাঈদ, এস এম শফিউল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম ও নাহিদ হোসেন।



মন্তব্য লিখুন :